জাগো বাঁশখালী

চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কায় ঝুঁকিপূর্ণ আটটি এলাকাকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে।

ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম নগরের ৮ এলাকা, বিশেষ নজরদারিতে ১০ ম্যাজিস্ট্রেট।



ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম নগরের ৮ এলাকা, বিশেষ নজরদারিতে ১০ ম্যাজিস্ট্রেট।

বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার বিস্তার বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গুর ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা, নির্মাণাধীন স্থাপনা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও পানি জমে থাকার প্রবণতা বেশি, সেসব এলাকাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ আটটি এলাকায় মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন অভিযান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শন করা হবে।

এদিকে মশক নিধন কার্যক্রমে গাফিলতি কিংবা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। এ জন্য মাঠপর্যায়ে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে বিশেষ নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নগরবাসীর সচেতনতার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশা সাধারণত স্বচ্ছ ও জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবন ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু সিটি করপোরেশন বা প্রশাসনের একক উদ্যোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। নগরবাসীকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে নজরদারি ও অভিযান আরও বাড়ানো হতে পারে।

#জাগো বাঁশখালী

আপনার মতামত লিখুন

জাগো বাঁশখালী

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম নগরের ৮ এলাকা, বিশেষ নজরদারিতে ১০ ম্যাজিস্ট্রেট।

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার বিস্তার বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীতে ডেঙ্গুর ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা, নির্মাণাধীন স্থাপনা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও পানি জমে থাকার প্রবণতা বেশি, সেসব এলাকাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ আটটি এলাকায় মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন অভিযান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শন করা হবে।

এদিকে মশক নিধন কার্যক্রমে গাফিলতি কিংবা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। এ জন্য মাঠপর্যায়ে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে বিশেষ নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নগরবাসীর সচেতনতার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশা সাধারণত স্বচ্ছ ও জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবন ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু সিটি করপোরেশন বা প্রশাসনের একক উদ্যোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। নগরবাসীকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে নজরদারি ও অভিযান আরও বাড়ানো হতে পারে।

#জাগো বাঁশখালী


জাগো বাঁশখালী

প্রধান উপদেষ্টাঃ এডভোকেট আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক (চট্টগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর)
উপদেষ্টাঃ মো: মহিউদ্দিন 
উপদেষ্টাঃ মনিরুল মন্নান চৌধুরী 
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানঃ মো: আবু সিদ্দিক 
সম্পাদক ও  প্রকাশকঃ মোহাম্মদ সুলতান

কপিরাইট © ২০২৬ জাগো বাঁশখালী । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত