সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ আটটি এলাকায় মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন অভিযান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শন করা হবে।
এদিকে মশক নিধন কার্যক্রমে গাফিলতি কিংবা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। এ জন্য মাঠপর্যায়ে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে বিশেষ নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নগরবাসীর সচেতনতার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশা সাধারণত স্বচ্ছ ও জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবন ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু সিটি করপোরেশন বা প্রশাসনের একক উদ্যোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। নগরবাসীকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে নজরদারি ও অভিযান আরও বাড়ানো হতে পারে।
#জাগো বাঁশখালী

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ আটটি এলাকায় মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন অভিযান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্ভাব্য প্রজননস্থল পরিদর্শন করা হবে।
এদিকে মশক নিধন কার্যক্রমে গাফিলতি কিংবা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। এ জন্য মাঠপর্যায়ে ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে বিশেষ নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নগরবাসীর সচেতনতার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশা সাধারণত স্বচ্ছ ও জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবন ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু সিটি করপোরেশন বা প্রশাসনের একক উদ্যোগে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। নগরবাসীকে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে নজরদারি ও অভিযান আরও বাড়ানো হতে পারে।
#জাগো বাঁশখালী

আপনার মতামত লিখুন