বাঁশখালী প্রতিনিধি: বাঁশখালী থানায় অনলাইন সংবাদমাধ্যম 'জাগো বাঁশখালী'-এর বিরুদ্ধে মিজান নামের এক ব্যক্তির দায়ের করা অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল বলে জানিয়েছে জাগো বাঁশখালী কর্তৃপক্ষ।
জাগো বাঁশখালীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুরু থেকেই তারা সত্য ও ন্যায়ের ওপর আস্থা রেখে আইনগত ও নৈতিকভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করেছে। কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, অপপ্রচার কিংবা চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সত্য প্রতিষ্ঠার পথেই অটল ছিল প্রতিষ্ঠানটি। অবশেষে অভিযোগ প্রত্যাহারের মাধ্যমে সত্যেরই বিজয় হয়েছে বলে তারা মনে করছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, "সম্মানের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। মানুষ সাময়িকভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারে, সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু সত্যকে কখনো পরাজিত করা যায় না। সময়ই একদিন সত্যকে সবার সামনে উন্মোচিত করে এবং ন্যায়ের বিজয় নিশ্চিত করে।"
জাগো বাঁশখালী জানায়, একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম হিসেবে তারা সবসময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ, সত্য উদঘাটন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে। তাদের এই পথচলায় নানা সময়ে বাধা, অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের মুখোমুখি হতে হলেও তারা কখনো সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হয়নি।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো সততা, নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থ। তাই ভবিষ্যতেও কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অযৌক্তিক চাপ কিংবা মিথ্যা অপপ্রচারে বিচলিত না হয়ে জনগণের আস্থা অটুট রাখতে তারা নির্ভীকভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।
জাগো বাঁশখালী সংশ্লিষ্ট সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, পাঠক, দর্শক এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া সকল মানুষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে তারা আশা প্রকাশ করেছে, ভবিষ্যতেও জনগণের ভালোবাসা, সহযোগিতা ও দোয়া নিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে।
শেষে জাগো বাঁশখালীর পক্ষ থেকে বলা হয়, "সত্যের জয় অবশ্যম্ভাবী—সময়ই তার সর্বোত্তম সাক্ষী। আমরা অতীতেও সত্যের পক্ষে ছিলাম, বর্তমানে আছি এবং ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ সত্য, ন্যায় ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব।"
জাগো বাঁশখালী। মানুষের পাশে, সত্যের
পক্ষে সব সময়।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
বাঁশখালী প্রতিনিধি: বাঁশখালী থানায় অনলাইন সংবাদমাধ্যম 'জাগো বাঁশখালী'-এর বিরুদ্ধে মিজান নামের এক ব্যক্তির দায়ের করা অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল বলে জানিয়েছে জাগো বাঁশখালী কর্তৃপক্ষ।
জাগো বাঁশখালীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুরু থেকেই তারা সত্য ও ন্যায়ের ওপর আস্থা রেখে আইনগত ও নৈতিকভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করেছে। কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, অপপ্রচার কিংবা চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সত্য প্রতিষ্ঠার পথেই অটল ছিল প্রতিষ্ঠানটি। অবশেষে অভিযোগ প্রত্যাহারের মাধ্যমে সত্যেরই বিজয় হয়েছে বলে তারা মনে করছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, "সম্মানের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। মানুষ সাময়িকভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারে, সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করতে পারে, কিন্তু সত্যকে কখনো পরাজিত করা যায় না। সময়ই একদিন সত্যকে সবার সামনে উন্মোচিত করে এবং ন্যায়ের বিজয় নিশ্চিত করে।"
জাগো বাঁশখালী জানায়, একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম হিসেবে তারা সবসময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ, সত্য উদঘাটন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে। তাদের এই পথচলায় নানা সময়ে বাধা, অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের মুখোমুখি হতে হলেও তারা কখনো সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হয়নি।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, সাংবাদিকতার মূল শক্তি হলো সততা, নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থ। তাই ভবিষ্যতেও কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অযৌক্তিক চাপ কিংবা মিথ্যা অপপ্রচারে বিচলিত না হয়ে জনগণের আস্থা অটুট রাখতে তারা নির্ভীকভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।
জাগো বাঁশখালী সংশ্লিষ্ট সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, পাঠক, দর্শক এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া সকল মানুষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে তারা আশা প্রকাশ করেছে, ভবিষ্যতেও জনগণের ভালোবাসা, সহযোগিতা ও দোয়া নিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে।
শেষে জাগো বাঁশখালীর পক্ষ থেকে বলা হয়, "সত্যের জয় অবশ্যম্ভাবী—সময়ই তার সর্বোত্তম সাক্ষী। আমরা অতীতেও সত্যের পক্ষে ছিলাম, বর্তমানে আছি এবং ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ সত্য, ন্যায় ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব।"
জাগো বাঁশখালী। মানুষের পাশে, সত্যের
পক্ষে সব সময়।

আপনার মতামত লিখুন