বাঁশখালী: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলাজুড়ে চলমান তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। শনিবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় বাসাবাড়ি, দোকানপাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তীব্র গরমে ঘরের ভেতর অবস্থান করা দুঃসহ হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, বিদ্যুৎ না থাকায় অনলাইন ও অফলাইন— উভয় ধরনের পড়ালেখায় বিঘ্ন ঘটছে। সামনে পরীক্ষা থাকায় অনেকেই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদ্যুৎ সংকটে দোকানপাটে ক্রেতা কমে গেছে এবং উৎপাদনমুখী কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ গৃহস্থরা। ফ্রিজে সংরক্ষিত মাছ, মাংস ও অন্যান্য খাবার নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পানির পাম্পও চালানো যাচ্ছে না, ফলে পানি সংকটও দেখা দিচ্ছে অনেক এলাকায়।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, হঠাৎ করে এত দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে জনমনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকেই জানতে চাচ্ছেন— এই লোডশেডিংয়ের প্রকৃত কারণ কী এবং কখন নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
এ বিষয়ে বাঁশখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কাছে এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ জানিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হোক। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতা, অতিরিক্ত চাহিদা কিংবা কারিগরি ত্রুটির কারণেও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জরুরি।
এলাকাবাসী বলছেন, এ ধরনের দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে জনজীবনে আরও বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণই এখন সময়ের দাবি।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
বাঁশখালী: চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলাজুড়ে চলমান তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। শনিবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকেই একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় বাসাবাড়ি, দোকানপাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। তীব্র গরমে ঘরের ভেতর অবস্থান করা দুঃসহ হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন।
শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, বিদ্যুৎ না থাকায় অনলাইন ও অফলাইন— উভয় ধরনের পড়ালেখায় বিঘ্ন ঘটছে। সামনে পরীক্ষা থাকায় অনেকেই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদ্যুৎ সংকটে দোকানপাটে ক্রেতা কমে গেছে এবং উৎপাদনমুখী কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ গৃহস্থরা। ফ্রিজে সংরক্ষিত মাছ, মাংস ও অন্যান্য খাবার নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পানির পাম্পও চালানো যাচ্ছে না, ফলে পানি সংকটও দেখা দিচ্ছে অনেক এলাকায়।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, হঠাৎ করে এত দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এতে জনমনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকেই জানতে চাচ্ছেন— এই লোডশেডিংয়ের প্রকৃত কারণ কী এবং কখন নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
এ বিষয়ে বাঁশখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কাছে এলাকাবাসীর জোর দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ জানিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হোক। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতা, অতিরিক্ত চাহিদা কিংবা কারিগরি ত্রুটির কারণেও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জরুরি।
এলাকাবাসী বলছেন, এ ধরনের দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে জনজীবনে আরও বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণই এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন