শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের প্রভাষক মুফিদুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের সদস্য এবং ১১ নম্বর পুঁইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব তারেকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নুরুল ইসলাম, পুঁইছড়ি ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোশারফ হোছাইন, চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম, হাজিগাঁও বরুমছড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আবদুল খালেক এবং চুনতি হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মো. ওয়ালিউল্লাহ।
অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক তুষার কান্তি ভারতী। এছাড়া সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন তানিয়া মাশকুরা (বাঁশখালী হামিদা রহিমা ফাজিল মাদ্রাসা), তাছকিয়াতুল জান্নাত (নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়), সাঈদাতুন নুর ইশমা (চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়), মো. রুকন (সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ) এবং আনাস বিন ফারুক (বাঁশখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়) প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. আবদুল কাদের বলেন, শুধু ভালো ছাত্র হলেই হবে না, শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবেও নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। এমনভাবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে, যাতে পরিবার, সমাজ ও দেশ তাদের নিয়ে গর্ববোধ করে।
তিনি সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আরও বলেন, নিজেদের পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মানবিকতা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি মরহুম আলহাজ্ব মাস্টার নজির আহমদ ও তাঁর পরিবারের মানবিক কর্মকাণ্ডের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের সমাজের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫.০০ প্রাপ্ত ১৬১ জন কৃতি শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৮ জন শিক্ষার্থীকে মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
ট্রাস্টের সদস্য সচিব জনাব আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান (সিআইপি) প্রত্যেক সংবর্ধিত শিক্ষার্থীর হাতে ২ হাজার টাকা মূল্যের প্রাইজবন্ড এবং মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজের একটি নন্দিত ম্যাগাজিন উপহার হিসেবে তুলে দেন।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ৩২৬ জন অভিভাবক এবং ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আগত অতিথি, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে আপ্যায়ন করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিদের যথাযথ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃতি শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সংবর্ধনা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগাবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তৈরিতেও এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের সদস্য সচিব আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান (সিআইপি) তাঁর বার্তায় জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এ ধরনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের প্রভাষক মুফিদুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের সদস্য এবং ১১ নম্বর পুঁইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব তারেকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. নুরুল ইসলাম, পুঁইছড়ি ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোশারফ হোছাইন, চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম, হাজিগাঁও বরুমছড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আবদুল খালেক এবং চুনতি হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মো. ওয়ালিউল্লাহ।
অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক তুষার কান্তি ভারতী। এছাড়া সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন তানিয়া মাশকুরা (বাঁশখালী হামিদা রহিমা ফাজিল মাদ্রাসা), তাছকিয়াতুল জান্নাত (নাটমুড়া পুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়), সাঈদাতুন নুর ইশমা (চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়), মো. রুকন (সেন্ট্রাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ) এবং আনাস বিন ফারুক (বাঁশখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়) প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মো. আবদুল কাদের বলেন, শুধু ভালো ছাত্র হলেই হবে না, শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসেবেও নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। এমনভাবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে, যাতে পরিবার, সমাজ ও দেশ তাদের নিয়ে গর্ববোধ করে।
তিনি সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আরও বলেন, নিজেদের পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। মানবিকতা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি মরহুম আলহাজ্ব মাস্টার নজির আহমদ ও তাঁর পরিবারের মানবিক কর্মকাণ্ডের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের সমাজের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫.০০ প্রাপ্ত ১৬১ জন কৃতি শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৮ জন শিক্ষার্থীকে মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
ট্রাস্টের সদস্য সচিব জনাব আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান (সিআইপি) প্রত্যেক সংবর্ধিত শিক্ষার্থীর হাতে ২ হাজার টাকা মূল্যের প্রাইজবন্ড এবং মাস্টার নজির আহমদ ডিগ্রি কলেজের একটি নন্দিত ম্যাগাজিন উপহার হিসেবে তুলে দেন।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ৩২৬ জন অভিভাবক এবং ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আগত অতিথি, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে আপ্যায়ন করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিদের যথাযথ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃতি শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সংবর্ধনা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগাবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তৈরিতেও এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের সদস্য সচিব আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান (সিআইপি) তাঁর বার্তায় জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এ ধরনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

আপনার মতামত লিখুন