মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফ।
পুলিশ জানায়, গত ১ আগস্ট নগরের পিডিবি ঘাটসংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তখন মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিচয় জানতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য প্রচার করে পুলিশ।
এরপর নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে মরদেহের জুতা, কানের দুল, পোশাক ও চেহারা দেখে সেটি জান্নাতুল ফেরদৌসের বলে শনাক্ত করেন।
নিহত জান্নাতুল বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা এলাকার নুরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি নগরের চান্দগাঁও এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং একটি জুতার কারখানায় কাজ করতেন।
পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, চাকরির সুবাদে পরিবারের অমতে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন জান্নাতুল। পরিবার বিষয়টি জানলেও ওই বিয়ে মেনে নেয়নি। দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে জান্নাতুলের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলেও পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানিয়েছেন।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে কর্ণফুলী নদীর তীরে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় নিহত জান্নাতুলের পরিবারের পক্ষ থেকে সদরঘাট নৌ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার পর জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
সদরঘাট নৌ থানার ওসি আবদুর রউফ বলেন, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফ।
পুলিশ জানায়, গত ১ আগস্ট নগরের পিডিবি ঘাটসংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তখন মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিচয় জানতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য প্রচার করে পুলিশ।
এরপর নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে মরদেহের জুতা, কানের দুল, পোশাক ও চেহারা দেখে সেটি জান্নাতুল ফেরদৌসের বলে শনাক্ত করেন।
নিহত জান্নাতুল বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা এলাকার নুরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি নগরের চান্দগাঁও এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং একটি জুতার কারখানায় কাজ করতেন।
পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, চাকরির সুবাদে পরিবারের অমতে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন জান্নাতুল। পরিবার বিষয়টি জানলেও ওই বিয়ে মেনে নেয়নি। দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে জান্নাতুলের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলেও পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানিয়েছেন।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে কর্ণফুলী নদীর তীরে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় নিহত জান্নাতুলের পরিবারের পক্ষ থেকে সদরঘাট নৌ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার পর জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
সদরঘাট নৌ থানার ওসি আবদুর রউফ বলেন, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন