জাগো বাঁশখালী

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর মরদেহের পরিচয় মিলেছে।

কর্ণফুলীতে বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় মিলল ১০ দিন পর।



কর্ণফুলীতে বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় মিলল ১০ দিন পর।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর মরদেহের পরিচয় মিলেছে। উদ্ধারের ১০ দিন পর পরিবারের সদস্যরা জুতা, কানের দুল, পোশাক ও চেহারা দেখে মরদেহটি জান্নাতুল ফেরদৌসের বলে শনাক্ত করেন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফ।

পুলিশ জানায়, গত ১ আগস্ট নগরের পিডিবি ঘাটসংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তখন মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিচয় জানতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য প্রচার করে পুলিশ।

এরপর নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে মরদেহের জুতা, কানের দুল, পোশাক ও চেহারা দেখে সেটি জান্নাতুল ফেরদৌসের বলে শনাক্ত করেন।

নিহত জান্নাতুল বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা এলাকার নুরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি নগরের চান্দগাঁও এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং একটি জুতার কারখানায় কাজ করতেন।

পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, চাকরির সুবাদে পরিবারের অমতে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন জান্নাতুল। পরিবার বিষয়টি জানলেও ওই বিয়ে মেনে নেয়নি। দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে জান্নাতুলের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলেও পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানিয়েছেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে কর্ণফুলী নদীর তীরে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এ ঘটনায় নিহত জান্নাতুলের পরিবারের পক্ষ থেকে সদরঘাট নৌ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার পর জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

সদরঘাট নৌ থানার ওসি আবদুর রউফ বলেন, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

জাগো বাঁশখালী

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


কর্ণফুলীতে বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় মিলল ১০ দিন পর।

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর মরদেহের পরিচয় মিলেছে। উদ্ধারের ১০ দিন পর পরিবারের সদস্যরা জুতা, কানের দুল, পোশাক ও চেহারা দেখে মরদেহটি জান্নাতুল ফেরদৌসের বলে শনাক্ত করেন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফ।

পুলিশ জানায়, গত ১ আগস্ট নগরের পিডিবি ঘাটসংলগ্ন কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তখন মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে পরিচয় জানতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য প্রচার করে পুলিশ।

এরপর নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে মরদেহের জুতা, কানের দুল, পোশাক ও চেহারা দেখে সেটি জান্নাতুল ফেরদৌসের বলে শনাক্ত করেন।

নিহত জান্নাতুল বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা এলাকার নুরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি নগরের চান্দগাঁও এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং একটি জুতার কারখানায় কাজ করতেন।

পরিবারের বরাতে পুলিশ জানায়, চাকরির সুবাদে পরিবারের অমতে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন জান্নাতুল। পরিবার বিষয়টি জানলেও ওই বিয়ে মেনে নেয়নি। দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে জান্নাতুলের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল বলেও পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানিয়েছেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে কর্ণফুলী নদীর তীরে ফেলে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এ ঘটনায় নিহত জান্নাতুলের পরিবারের পক্ষ থেকে সদরঘাট নৌ থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার পর জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

সদরঘাট নৌ থানার ওসি আবদুর রউফ বলেন, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। আসামিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


জাগো বাঁশখালী

প্রধান উপদেষ্টাঃ এডভোকেট আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক (চট্টগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর)
উপদেষ্টাঃ মো: মহিউদ্দিন 
উপদেষ্টাঃ মনিরুল মন্নান চৌধুরী 
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানঃ মো: আবু সিদ্দিক 
সম্পাদক ও  প্রকাশকঃ মোহাম্মদ সুলতান

কপিরাইট © ২০২৬ জাগো বাঁশখালী । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত