পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে প্রতিবারের মতো এবারও বন্দরনগরী চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ জুলুসে অংশ নেন বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।
এবারের আয়োজনটি ছিল ৫৫তম জশনে জুলুস। আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত জুলুসে নেতৃত্ব দেন দরবারে আলিয়া কাদেরিয়া সিরিকোটের সাজ্জাদনশীন পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ।
জুলুসকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন আগে থেকেই বর্ণিল সাজে সাজানো হয় চট্টগ্রাম নগরী। নগরের বিভিন্ন সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কদ্বীপে নির্মাণ করা হয় দৃষ্টিনন্দন তোরণ। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে শোভা পায় রঙিন পতাকা ও আলোকসজ্জা। সব মিলিয়ে জশনে জুলুসকে ঘিরে নগরজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।
সকাল থেকেই নগরের ষোলশহর ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন বয়সী ধর্মপ্রাণ মানুষ। হামদ-নাত, দরুদ শরিফ, জিকির ও নবীপ্রেমের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। পরে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জশনে জুলুস বের হয়ে নগরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
চট্টগ্রামে এই ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুসের আয়োজন শুরু হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর থেকে প্রতি বছর ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এ আয়োজন হয়ে আসছে। গত বছর ৫৪তম জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
আয়োজকদের প্রত্যাশা ছিল, এবারের জশনে জুলুসেও বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হবে। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীতে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জুলুসের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এই জশনে জুলুস চট্টগ্রামের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ এতে অংশ নিতে চট্টগ্রামে সমবেত হন।
নবীপ্রেম, শান্তি ও সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে আয়োজিত এবারের জশনে জুলুসের মধ্য দিয়ে আবারও মুখর হয়ে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে প্রতিবারের মতো এবারও বন্দরনগরী চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ জুলুসে অংশ নেন বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।
এবারের আয়োজনটি ছিল ৫৫তম জশনে জুলুস। আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত জুলুসে নেতৃত্ব দেন দরবারে আলিয়া কাদেরিয়া সিরিকোটের সাজ্জাদনশীন পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ।
জুলুসকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন আগে থেকেই বর্ণিল সাজে সাজানো হয় চট্টগ্রাম নগরী। নগরের বিভিন্ন সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কদ্বীপে নির্মাণ করা হয় দৃষ্টিনন্দন তোরণ। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে শোভা পায় রঙিন পতাকা ও আলোকসজ্জা। সব মিলিয়ে জশনে জুলুসকে ঘিরে নগরজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।
সকাল থেকেই নগরের ষোলশহর ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন বয়সী ধর্মপ্রাণ মানুষ। হামদ-নাত, দরুদ শরিফ, জিকির ও নবীপ্রেমের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। পরে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জশনে জুলুস বের হয়ে নগরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
চট্টগ্রামে এই ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুসের আয়োজন শুরু হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর থেকে প্রতি বছর ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এ আয়োজন হয়ে আসছে। গত বছর ৫৪তম জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
আয়োজকদের প্রত্যাশা ছিল, এবারের জশনে জুলুসেও বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হবে। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীতে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জুলুসের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এই জশনে জুলুস চট্টগ্রামের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ এতে অংশ নিতে চট্টগ্রামে সমবেত হন।
নবীপ্রেম, শান্তি ও সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে আয়োজিত এবারের জশনে জুলুসের মধ্য দিয়ে আবারও মুখর হয়ে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।

আপনার মতামত লিখুন